চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনাসরিষা-৪ সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

 

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাত বিনাসরিষা-৪ চাষাবাদ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গায় এ শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্রের আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলা রঞ্জন দাশ। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট-বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্রের গবেষণার অংশ হিসেবে  এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। বিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টু গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. এসরাইল হোসেন, বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. সমজিত কুমার পাল, রাজশাহী ফল গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইনচার্জ ড. আব্দুল আলিম, রাজশাহী গম গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইলিয়াস হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন, পরীক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম।

 

মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমান্বয়ে নিম্নগামী হওয়া ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট (বিনা) এর গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গতানুগতিক আমন-বোরো দুই ফসলি শস্য পরিক্রমার পরিবর্তে আমন-রবি-বোরো ও আমন-রবি-আউশ পরিক্রমায় গবেষণা হচ্ছে। রবি মৌসুমে সরিষা, মসুর ও গম চাষ

করা হচ্ছে। আমন ও বোরো মাঝখানে রবি ফসল সরিষাচাষ করলে বা আমন-রবি-আউশ ধান চাষ করলে সেচের পানির পরিমাণ কম লাগে, আবার বছরান্তে বেশী ফলনের পাশাপাশি মুনাফাও বেশী হয়।

 

কৃষিবিদগণ আরো বলেন, সরিষা কাটার পর কিছুটা দেরীতে রোপনের উপযোগী ধান রয়েছে “বিনাধান-১৪” যার ফলন তুলনামুলক বেশি। কিছুটা দেরীর কারণে অনেক সময় বৃষ্টির পানির দ্বারা সেচের পানির কিছুটা চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে  জানানো হয়, চাষকৃত বিনা সরিষা-৪-এর ফলন বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৮ মণ। এর জন্য দু’টি সেচই যথেষ্ট। একটি সেচ বীজ বপনের ১৫-১৮ দিন পর ও ২য় সেচটি ফুল আসা

পর্যায়ে দিতে হয়। মাঠ দিবসে বিনা সরিষা-৪ প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

114310cookie-checkচাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনাসরিষা-৪ সম্প্রসারণে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

Author: Faruk

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *