টয়লেটে পাঁচ ফুটের কুমির, গ্রামে আ’তঙ্ক

টয়লেটে ঘাপটি মেরে বসে আস্ত কুমির। সকাল সকাল বাড়ির কর্তা টয়লেটের দরজা খুলেই ভয়ে আঁতকে ওঠেন। বিশাল আকারের কুমির তার বাড়ির টয়লেটে সটান শুয়ে রয়েছে। তিনি এ দৃশ্য দেখে দৌড়ে ওই স্থান থেকে সরে আসেন। এরপর চিৎকার চেচামেচিতে বাড়ির সামনে লোকজন জড়ো হয়ে যায়। কী করে কুমিরটিকে টয়লেট থেকে বের করা যায় তা ভেবে পাচ্ছিলেন না কেউ। এমন সময় বন অধিদপ্তরে খবর দেন এক গ্রামবাসী। খবর ছড়িয়ে পড়ার গ্রামে আ’তঙ্ক ছড়ায়। গ্রামবাসীরা ওই বাড়ির চারপাশে ব্যারিকেড করে দেন। যাতে কুমির বেরিয়ে বাইরে যেতে না পারে!

ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদ জেলার মহব্বতপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। সে সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে উপস্থিত হয় বন অধিদপ্তরের কর্মীরা। ওয়াইল্ডলাইফ এসওএস র‍্যাপিড রেসপন্স ইউনিট-এর কর্মীরা কুমির উদ্ধারে নেমে মহাবিপদে পড়েন। কারণ তখন সেই বাড়ির সামনে কয়েক শ মানুষের ভিড়। এত মানুষকে সরাতে গিয়ে হিমশিম খান কর্মীরা। অনেক অনুরোধ-উপরোধের পর ভিড় হালকা হলে কুমিরটিকে উদ্ধারে নামেন বন দপ্তরের কর্মীরা। কিন্তু টয়লেটে জায়গা কম থাকায় বিরাটাকার কুমিরটিকে দড়ি দিয়ে ধরতে পারছিলেন না তারা। এর পরই খাঁচায় টোপ দেয়া হয়। অনেকক্ষণ চেষ্টার পর কুমিরটি খাঁচায় ধরা দেয়।

কর্মীরা জানান, এত লোক দেখে কুমিরটিও গুঁটিসুটি পাকিয়ে যায়। ফলে সেটিকে উদ্ধার করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় বন দপ্তরের কর্মীদের। ওই গ্রামের কাছে একটি বিশাল পুকুর রয়েছে। সেখান থেকেই কুমিরটি এসেছিলো বলে বন দপ্তরের কর্মীরা ধারনা করছেন। খাবারের খোঁজেই সেটি ওই বাড়ির টয়লেটে ঢুকে পড়ে।

বন দপ্তরের কর্মীর জানিয়েছেন, এই প্রজাতির কুমীর পরিষ্কার জলে থাকতে ভালবাসে। ফলে পুকুর, জলাশয়ে এই পুকুর থাকে অনেক সময়। জুন মাসে উত্তরপ্রদেশের শিকোহাবাদের কাছে একটি গ্রাম থেকে আরো একটি কুমির উদ্ধার করেছিলেলন বন দপ্তরের কর্মীরা। এদিন কুমিরটিকে ভাটেশ্বরের যমুনা নদীর নারাঙ্গি ঘাটে ছেড়ে দেয়া হয়।

27020cookie-checkটয়লেটে পাঁচ ফুটের কুমির, গ্রামে আ’তঙ্ক

Author: Faruk

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *