বন্যা-ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এ বছরের বন্যা ও নদী ভাঙনে প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিভিন্ন জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আসবাবপত্র, বই-খাতাসহ স্কুলের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে।

জানা গেছে, বন্যা ও নদী ভাঙনে এখন পর্যন্ত প্রাথমিকের প্রায় ৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় তিন হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনেক স্থানে স্কুলের মেঝে দেবে গেছে। নষ্ট হয়েছে স্কুলের প্রবেশ পথ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে (ইইডি) ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব মাঠ পর্যায় থেকে পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ জানান, আমরা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পুরোপুরি পাইনি। তবে আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে তাতে বন্যা ও নদী ভাঙনে প্রায় ৭ হাজার প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জেনেছি। তবে বন্যার কারণে যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা নতুন বই পাবে। এছাড়া যেসব ভবন এবং প্রতিষ্ঠান আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো মেরামত ও পুনর্নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পুরো তালিকা এখনো পাইনি। তবে ইইডি তথ্যমতে জানতে পেরেছি প্রাথমিকের প্রায় ৩ হাজার প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলোর তালিকা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।

এ বিষয়ে ইইডির প্রধান প্রকৌশলী বুলবুল আখতার জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা হচ্ছে। এ খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ আছে। বন্যার পানি নেমে গেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা যাবে।

সম্প্রতি উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টিতে কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আংশিক আবার কোনোটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

52470cookie-checkবন্যা-ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

Author: Faruk

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *